ইনস্ট্যান্ট উইন থেকে সাপ্তাহিক মেগা ড্র — cd66 আপনাকে দিচ্ছে দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় লটারি পুরস্কার এবং সবচেয়ে স্বচ্ছ ড্র প্রক্রিয়া।
পরবর্তী মেগা ড্র শুরু হতে আর বাকি:
প্রতি শুক্রবার রাত ৯টায় লাইভ ড্র অনুষ্ঠিত হয়
বাংলাদেশে লটারির প্রতি মানুষের আগ্রহ নতুন নয়। ছোটবেলায় বাজারে দাঁড়িয়ে লটারির টিকিট কিনতে দেখেছি সবাই। সেই চেনা অনুভূতি এখন ডিজিটাল হয়েছে — তবে রোমাঞ্চটা একটুও কমেনি।
cd66-এ লটারি খেলা একদম সহজ। ময়মনসিংহের একজন চাষি যদি সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে মোবাইলে টিকিট কিনতে চান, তাহলে মাত্র কয়েক ট্যাপেই সেটা করা সম্ভব। বিকাশে টাকা দিন, টিকিট নম্বর পান, এবং ড্র-এর সময় লাইভ দেখুন।
অনলাইন লটারিতে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো বিশ্বাসযোগ্যতা। cd66 এই সমস্যার সমাধান করেছে প্রভাবযোগ্য র্যান্ডম নম্বর জেনারেটর (RNG) ব্যবহার করে — যার ফলাফল যেকেউ যাচাই করতে পারেন।
প্রতিটি ধরনে আলাদা আনন্দ, আলাদা পুরস্কার
কিনুন এবং তাৎক্ষণিক জানুন। স্ক্র্যাচ-কার্ড স্টাইলে সেকেন্ডের মধ্যে ফলাফল পাবেন। ছোট পুরস্কার বেশি ঘন ঘন আসে।
প্রতি শুক্রবার রাতে অনুষ্ঠিত বড় ড্র। জ্যাকপট পুরস্কার শুরু হয় ১০ লক্ষ টাকা থেকে এবং প্রতি সপ্তাহে বাড়তে থাকে।
প্রতিদিন বিকাল ৫টায় একটি ছোট ড্র। দ্রুত এবং নিয়মিত পুরস্কারের সুযোগ। টিকিটের দাম মাত্র ২০ টাকা থেকে শুরু।
১ থেকে ৮০ পর্যন্ত নম্বর থেকে আপনার পছন্দের নম্বর বেছে নিন। যত বেশি মিলবে, তত বেশি পাবেন।
৬টি নম্বর বেছে নিন এবং সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকার জ্যাকপট জিতুন। প্রতি মাসে অন্তত একজন বিজয়ী তৈরি হয়।
ঈদ, পহেলা বৈশাখ বা বিশেষ দিনে অতিরিক্ত পুরস্কার সহ এক্সক্লুসিভ লটারি ড্র অনুষ্ঠিত হয়।
রাজশাহীর একজন রিকশাচালক থেকে শুরু করে ঢাকার কর্পোরেট অফিসার — cd66-এর লটারিতে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা সবার জন্যই একইরকম সহজ এবং ন্যায্য। কারণ এখানে প্রযুক্তি নিশ্চিত করে যে প্রতিটি ড্র সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ।
অনেক প্ল্যাটফর্মে লটারি কিনলে পরে জানা যায় সব টিকিট আসলে একটি নির্দিষ্ট দলের কাছেই যায়। cd66-এ এমন কিছু হয় না — প্রতিটি টিকিটের সমান সুযোগ রয়েছে এবং ড্র-এর ফলাফল ব্লকচেইন প্রযুক্তিতে রেকর্ড করা থাকে। যেকেউ যেকোনো সময় গিয়ে যাচাই করতে পারবেন।
লটারিতে জিতেছেন কিন্তু টাকা পাচ্ছেন না — এই অভিজ্ঞতা অনেকেরই আছে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে। cd66-এ জয়ের পরিমাণ ১ লক্ষ টাকার নিচে হলে তাৎক্ষণিকভাবে ওয়ালেটে চলে আসে। বড় পুরস্কার সর্বোচ্চ ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রক্রিয়া করা হয়।
বিকাশ, নগদ, রকেট — যেকোনো মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় সরাসরি উইথড্র করতে পারবেন। ব্যাংক ট্রান্সফারও সাপোর্ট করা হয়। পেমেন্ট নিয়ে কোনো ঝামেলা নেই।
cd66-এ প্রথমবার টিকিট কিনলেই পাবেন একটি বিনামূল্যে বোনাস টিকিট। এছাড়া প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত খেলোয়াড়দের জন্য লয়্যালটি পয়েন্ট থেকে ফ্রি টিকিট দেওয়া হয়। নারায়ণগঞ্জ বা রাজশাহী যেখান থেকেই খেলুন — সুবিধা সমান।
বাংলাদেশের অনেক মানুষ ইংরেজি ইন্টারফেসে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না। তাই cd66-এর পুরো লটারি সেকশন সম্পূর্ণ বাংলায় ডিজাইন করা হয়েছে। টিকিট কেনা থেকে ফলাফল দেখা পর্যন্ত সব বাংলায়।
| পুরস্কার | মিল | পরিমাণ |
|---|---|---|
| জ্যাকপট | ৬/৬ | ১ কোটি টাকা |
| ১ম পুরস্কার | ৫/৬ | ৫ লক্ষ টাকা |
| ২য় পুরস্কার | ৪/৬ | ৫০,০০০ টাকা |
| ৩য় পুরস্কার | ৩/৬ | ৫,০০০ টাকা |
| বোনাস | ২/৬ | ৫০০ টাকা |
| ফ্রি টিকিট | ১/৬ | পরের ড্রতে |
শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৬ — মেগা ড্র
বোনাস বল: ১৯
রাজশাহীর একজন কলেজ ছাত্রী জানিয়েছিলেন, তিনি প্রথমে ভেবেছিলেন অনলাইন লটারি অনেক জটিল হবে। কিন্তু cd66-এ প্রথমবার টিকিট কিনতে গিয়ে তিনি অবাক হয়ে যান — মাত্র ৩টি ধাপে সব শেষ।
স্মার্টফোনেই সব কাজ করুন, অ্যাপ বা ব্রাউজার যেটাই ব্যবহার করুন।
256-bit SSL এনক্রিপশনে সব লেনদেন সম্পন্ন হয়।
প্রতিটি ড্র সরাসরি লাইভ দেখুন এবং নিজেই নিশ্চিত হন।
জিতলে সাথে সাথে SMS ও অ্যাপ নোটিফিকেশন পাবেন।
মাত্র ৪টি সহজ ধাপে শুরু করুন
নাম, মোবাইল নম্বর দিয়ে মাত্র ২ মিনিটে cd66-এ বিনামূল্যে নিবন্ধন করুন।
বিকাশ, নগদ বা রকেটে মিনিমাম ২০ টাকা ডিপোজিট করুন এবং বোনাস পান।
পছন্দের লটারি ধরন বেছে নিন, নম্বর সিলেক্ট করুন বা কুইক পিক ব্যবহার করুন।
লাইভ ড্র দেখুন, ফলাফল মিলিয়ে নিন এবং জয়ের টাকা তুলে নিন।
সারা বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে cd66-এর লটারিতে বিজয়ীরা তাঁদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন
"ডেইলি ড্র-তে প্রথম সপ্তাহেই ৫০০ টাকা জিতেছিলাম। cd66-এর পেমেন্ট সিস্টেম অনেক দ্রুত — মাত্র কয়েক মিনিটে বিকাশে টাকা চলে এসেছে।"
রহিমা বেগম
নারায়ণগঞ্জ
"মেগা ড্র-তে তিনটি নম্বর মিলিয়ে ৫,০০০ টাকা পেয়েছি। এখন প্রতি শুক্রবার সন্ধ্যা মানেই cd66 খোলা।"
করিম মিয়া
ময়মনসিংহ
"ইনস্ট্যান্ট লটারিতে বারবার ছোট ছোট জিতেছি। এটাই আমার প্রিয়। cd66-এর ইন্টারফেস বাংলায় হওয়ায় বুঝতে সুবিধা।"
সুমাইয়া আক্তার
রাজশাহী
"সুপার লটোতে ৫টি নম্বর মিলেছিল — সেদিন ৫ লক্ষ টাকা জিতেছি। এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না। cd66 ধন্যবাদ!"
আরিফ হোসেন
ঢাকা
লটারি মূলত ভাগ্যের খেলা, তবু কিছু অভ্যাস আপনার অভিজ্ঞতাকে আরও ভালো করবে
লটারি নিয়ে যেসব প্রশ্ন সবচেয়ে বেশি করা হয়
বাংলাদেশের লক্ষ মানুষ ইতোমধ্যে cd66-এর লটারিতে অংশ নিয়েছেন — আপনিও স্বপ্নের সুযোগ নিন।